রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

নন-কটন টেক্সটাইলে ১০% নগদ সহায়তা চায় বিজিএমইএ

শনিবার রাজধানীর উত্তরায় ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়জ এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান সংগঠনটির সভাপতি ফারুক হাসান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘গত চার দশকে পোশাক রপ্তানি ৩৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছলেও পণ্যের ম্যাটেরিয়াল ডাইভারসিফিকেশন হয়নি বললেই চলে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের রপ্তানি অনুযায়ী, মোট পোশাক রপ্তানির প্রায় ৭৪ দশমিক ১৪ শতাংশই ছিল কটনের তৈরি, যা ১০ বছর পূর্বে (২০০৮-০৯ অর্থবছরে) ছিল ৬৯ শতাংশ। অর্থাৎ গত ১০ বছরে শিল্পের কটন নির্ভরতা বরং বেড়েছে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ মোট ২০ লাখ ৫২ হাজার টন ফাইবার আমদানি করে, যার ৯৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ ছিল কটন। মোট ৪৩০ টি স্পিনিং মিলের মধ্যে ৪০৩ টিই কটন স্পিনিং মিল। যেখানে বিশ্বের মোট টেক্সটাইল কনজাম্পশনের প্রায় ৭৫ শতাংশই নন-কটন, এর মধ্যে ৬৪ শতাংশ  সিনথেটিক, যা বার্ষিক ৩-৪ শতাংশ হারে বাড়ছে, সেখানে কটনের শেয়ার মাত্র ২৫ শতাংশ, যা বছরে ১-২ শতাংশ হারে বাড়ছে। বর্তমানে বিশ্বে নন-কটন পণ্যের চাহিদা বাড়ছে।’

২০১৭ সালে সিনথেটিক বেসড টেক্সটাইল ট্রেড এর পরিমাণ ছিল প্রায় ১৫০ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে বাংলাদেশের শেয়ার ছিল মাত্র ৫ শতাংশ। অর্থাৎ বৈশ্বিক ফাইবার চাহিদার বিচারে বাংলাদেশ অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ কটনের মধ্যে সীমাবদ্ধ আছে।

প্রতিযোগী দেশগুলোতে এই শিল্পের কাঁচামাল ‘পেট্রোক্যামিকেল চিপস’ থাকায় এবং তাদের স্কেল ইকনোমির কারণে তারা প্রতিযোগী সক্ষমতায় অনেক এগিয়ে আছে। এই পরিস্থিতিতে নন-কটন খাতে বিনিয়োগ ও রপ্তানী উৎসাহিত করতে, বিশেষকরে প্রতিযোগী সক্ষমতা ধরে রাখতে নন কটন পোশাক রপ্তানির উপর ১০ শতাংশ হারে বিশেষ প্রণোদনা দেয়ার অনুরোধ করা হয়।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, শিল্পকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে বিজিএমইএর বেশ কয়েটি প্রস্তাব ছিল, কিন্তু সেগুলো বিবেচনা করা হয়নি। তবে কয়েকটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত রাখায় সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com